মেনু নির্বাচন করুন


                          মহাপরিচালক










মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান বিসিএস-তথ্য ক্যাডার ১৯৮৪ ব্যাচের একজন করমকর্তা। তিনি ১৯৮৬ সালের ২১ মে বিসিএস তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে সহকারি পরিচালক পদে যোগদান করেন এবং পরবর্তী সময়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগ, তথ্য অধিদফতরের সিনিয়র তথ্য অফিসার হিসেবে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের দপ্তর প্রধান/ভাইস চেয়ারম্যান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এ দায়িত্ব পালন করেন। ১০ জুন-২০১৪ তারিখে তিনি চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। জনাব লিয়াকত বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনার্জি কোম্পানী এক্সন-মবিলের এফিলিয়েট মবিল যমুনা লুব্রিকেটের ভাইস প্রেসিডেন্ট/জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে ২০০৩ সালের ডিসেম্বর থেকে সাড়ে সাত বছর লিয়েনে কাজ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে বিএ অনার্স এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর কিছুদিন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনেস্ট্রেশন (IBA) তে এমবিএ কোর্সে অধ্যয়ন করেন। তারপর গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েটশীপ লাভ করে বেসরকারিভাবে ওহহিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অসাধারণ ফলাফলসহ মাস্টার ইন ইন্টারনাল এ্যাফেয়ার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ক্যানবেরায় তিনি গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে পাবলিক সেক্টর বিষয়ক কোর্সে ডিস্টিংকসন অর্জন করেন। জনাব খান যুক্তরাজ্যের দি কলেজ অব ল’তে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা ইন ল’ কোর্সে অধ্যয়ন করেন। তিনি নিয়মিত মৌলিক লেখা ও অনুবাদ করে থাকেন। বৃটিশ রাজকবি টেড হিউজ ও বিশ্বখ্যাত ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীত শিল্পী পন্ডিত রবি সংকরের সঙ্গে সরকারি হোম অফিসারের দায়িত্ব পালন। তিনি টেড হিউজের বেশ কয়েকটি বই এবং প্রায় ৭০টি কবিতা অনুবাদ করেছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে স্বর্ণলোকের সন্ধানে ১৯৯৯ দেশ বিদেশের অন্তরে অন্তরালে (২০০০), লোহার মানুষ (১৯৯৭), দি লিবারেশন স্ট্রাগল অব বাংলাদেশ (১৯৯৯), দি ফোর এসেজ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তিনি বেসরকারিভাবে প্রায় ৩০টি দেশ সফর করেছেন। জনাব খান বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক। একমাত্র সন্তান মোহাম্মদ তাহসিন একজন কণ্ঠশিল্পী ও সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটির লেকচারার। বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন।

BESbewy